জীবজগৎকে টিকিয়ে রাখার জন্য মানুষ যুগে যুগে ভালোবেসেছে। লাইলী-মজনু, শিরী-ফরহাদ প্রেমের জন্য জীবন পর্যন্ত বাজি রেখেছে। নর-নারীর প্রেমের জন্যই মানবজাতি টিকে আছে। নারী-পুরুষ উভয়ের প্রতি ভালোবাসা আকর্ষণকে তীব্র করে।
বেলাল আহমেদ মেয়ে-পাগল ছেলে নয়। অথচ রেশমাকে দেখে প্রথম দর্শনেই ওর প্রেমে পড়ে। আত্মীয়-স্বজন কেউ এ বিয়েতে মত দেয়নি। মা তখন রান্নাঘরে মাছ ভাজছিলেন। সে মায়ের পাশে গিয়ে দাঁড়াল, মাকে বলল, রেশমা মেয়েটিকে আমি বিয়ে করব। বেলালের কথায় মা এমন থতমত খেলেন যে, তিনি কড়াইতে মাছ ছেড়ে দিলেন। তেল ছলকে এসে বেলালের হাতে পড়ল, হাতে পোড়া দাগ এখনো রয়ে গেছে। চোখের সামনে যখনই এই দাগ দেখে, তখনই তার অতীত মনে পড়ে।
রেশমার সুন্দর একটি মন আছে। সে মনে বাস করে একজন সৃষ্টিশীল মানুষ। সৃষ্টিশীল মানুষেরা সৌন্দর্যবোধে প্রখর। তাদের ক্ষমতা সম্পর্কে তারা নিজেরাও অবগত নয়। যারা সৃষ্টিশীল নয়, তারা সৃষ্টিশীল মানুষের ক্ষমতা দেখে অভিভূত হয়। তাদের দেখে কেউ কেউ মুগ্ধ হতেই পারে। যেমন হয়েছে বেলাল আহমেদ।